ব্যবসার আইডিয়া

গাড়ির পার্টস এর ব্যবসা ২০২২ (মোটরসাইকেল, সিএনজি পার্টস ব্যবসা)

আপনি কি গাড়ির পার্টসের ব্যবসা করতে চাচ্ছেন? যদি আপনি এই ব্যবসাটি করতে চান তাহলে আমাদের এই পোস্টটি আপনাদের জন্য। আমাদের দেশে বর্তমান সময়ে পার্টস এর ব্যবসাটি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

কারণ এই ব্যবসাটি ভালোভাবে করতে পারলে অনেক লাভবান হওয়া যায়। তাই আমরা আজকে আমাদের এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনাদের সাথে শেয়ার করব গাড়ির পার্টস এর ব্যবসা কিভাবে করতে হয় এই বিষয়ে।

এছাড়াও আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করব গাড়ির পার্টস এর দাম এবং গাড়ির টায়ারের দাম কত এই বিষয়টি। তাই আর দেরি না করে আমাদের এই পোস্টটি এখনই সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

যেকোনো ব্যবসা করতে হলে কঠোর পরিশ্রম আর ধৈর্যের সাথে করতে হয়। তা না হলে কোন ব্যবসাতেই উন্নতি লাভ করা যায় না। তেমনি পার্টসের ব্যবসা ও এমনি একটি ব্যবসা। যে ব্যবসাতে পরিশ্রম আর ধৈর্যের প্রয়োজন হয়।

আপনি যদি ধৈর্য এবং পরিশ্রম না করে পার্টস এর ব্যবসা করেন তাহলে এতে আপনার ব্যবসার উন্নতি না হয়ে অবনতি হবে। গাড়ির পার্টসের এই ব্যবসা সাধারণত দুই ভাবে করা যায়।

একটি হচ্ছে সরাসরি পার্টস এর দোকান দিয়ে। আর অন্যটি হচ্ছে গাড়ির পার্টস আমদানি করে। যেমন-আপনি সরাসরি একটি গাড়ির পার্টস এর দোকান দিয়ে পার্টস এর ব্যবসা করতে পারেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে দোকানটি একটি ভালো পজিশনে দিতে হবে। দোকানটি যদি ভালো পজিশনে বা বাজারের আশেপাশে না হয় তাহলে আপনার দোকান থেকে তেমন পণ্য কেনাবেচা হবে না।

এছাড়াও আপনাদেরকে গাড়ির ড্রাইভারদের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে এবং গাড়ির সব গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্রগুলো রাখতে হবে। তাহলে আপনি খুব সহজে ব্যবসায় লাভবান হতে পারবেন।

গাড়ির পার্টসের অন্য ধরনের আরেকটি ব্যবসা হচ্ছে পাইকারি দোকান থেকে গাড়ির বিভিন্ন ধরনের পার্টস কিনে এনে দোকানে দোকানে সেগুলো আমদানি করা। আপনি যদি দোকানে গাড়ির পার্টস আমদানি করতে পারেন

তাহলে সে ক্ষেত্রে ক্রেতারা আপনার কাছ থেকে গাড়ির বিভিন্ন পার্টস এর অর্ডার করে থাকবে। এতে করে আপনি ব্যবসায়ী লাভজনক হতে পারবেন। অনেকে আছেন যারা গাড়ির পার্টসের দাম সম্পর্কে জানেনা।

আর তাই তারা গাড়ির পার্টসের দাম সম্পর্কে ধারণা রাখার জন্য অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে গাড়ির পার্টস এর দাম জানতে আগ্রহী থাকে। তাই আমরা আমাদের এই পোস্টটিতে গাড়ির পার্টস এর দাম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

গাড়ির পার্টস এর মধ্যে রয়েছে ব্রেক শু। এটি গাড়ির ব্রেক সিস্টেমের একটি অংশ। এটি গাড়ির পিছনের চাকার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর দাম হচ্ছে 800 টাকা থেকে শুরু করে 3000 টাকার মধ্যে।

অন্য আরেকটি হচ্ছে রেক প্যাড। এটি গাড়ির সামনের চাকার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটিও গাড়ির ব্রেক সিস্টেমের একটি অংশ। এর দাম 50০ টাকা থেকে শুরু করে 2500 টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

এই পার্টসগুলো ছাড়াও গাড়ির আরও বিভিন্ন পার্টস রয়েছে। আমরা ওই সকল গাড়ির পার্টস এর দাম সম্পর্কে অন্য পোস্টে আলোচনা করেছি। অনেকেই আছেন যারা গাড়ির টায়ার কেনার জন্য টায়ার এর দাম সম্পর্কে জানতে আগ্রহী থাকে।

আমাদের দেশে গাড়ির টায়ারের বিভিন্ন কোম্পানি রয়েছে। দেশের টায়ার কোম্পানি ছাড়াও বিদেশ থেকে বিভিন্ন কোম্পানির টায়ার আমাদের দেশে আমদানি করা হয়ে থাকে।

টায়ারের কোম্পানি,  মান ও সাইজ অনুযায়ী টায়ারগুলোর দাম এর মধ্যে পার্থক্য হয়ে থাকে। যেমন, আপনি যদি প্রাইভেট কারের জন্য চায়না টায়ার কিনতে চান তাহলে আপনারা সেটি সর্বনিম্ন 6000 টাকায় কিনতে পারবেন

এবং ভালো মানে টায়ার কিনতে চাইলে 25000 টাকার মতো খরচ করতে পারে। ভিন্ন গাড়ির ব্র্যান্ডের কারণে এবং টায়ারের কোম্পানির কারণে টায়ারের দাম 25000 টাকার চেয়েও অনেক বেশি হয়ে থাকে।

Bangla Master

Bangla Master ওয়েবসাইট এর পক্ষ থেকে আপনাদেরকে স্বাগতম। এই ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের সকল শিক্ষা বিষয়ক তথ্য আপনি জানতে পারবেন। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত সকল আপডেট তথ্য এই ওয়েবসাইটে নিয়মিত দেয়া হয়ে থাকে। আপনাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং চাকরি বিষয়ক তথ্যগুলো আমরা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করেছি।
Back to top button