রকমারি

অনার্স সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম (ক্লিক করে দেখুন)

অনার্সের সার্টিফিকেট এ কোন কারণে যদি ভুল এসে থাকে। সেটা আপনাদের জন্য অবশ্যই সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। আজকে আমরা এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনাদের দেখাবো।

কিভাবে আপনার অনার্সের সার্টিফিকেট সংশোধন করবেন। সেক্ষেত্রে আপনার কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। আপনাদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরীক্ষা দিয়ে থাকেন।

তাহলে আপনার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর যোগাযোগ করতে হবে। আসুন এ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন। আশা করি আপনাদের কাছে এই পোষ্টটি খুবই উপযোগী মনে হবে।

তাহলে আসুন বিস্তারিত শুরু করা যাক। সার্টিফিকেট আপনার জীবনের মূল চাবিকাঠি। সার্টিফিকেট ছাড়া একটা শিক্ষার্থীর জীবনের কোন মূল্য নেই। তাই সার্টিফিকেট সংশোধন করতে চাইলে অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

আপনার সার্টিফিকেটে নিশ্চয়ই নিজের নাম অথবা পিতা মাতার নাম ভুল হয়েছে। আবার অনেকের সার্টিফিকেটে জন্ম তারিখ ভুল হয়ে থাকে। আপনারা যদি এরকম সার্টিফিকেটে কোন ভুল হয়ে থাকে।

তাহলে সেই ভুল সংশোধন করতে হবে। চলুন জেনে নেই,সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম কানুন কি কি। আপনারা চাইলে ঘরে বসে যেকোন আপনি বোর্ডের সার্টিফিকেট সংশোধন করতে পারবেন।

অনলাইনে সার্টিফিকেট নাম সহ যে কোন ত্রুটি সংশোধনের জন্য প্রথমে আপনাকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে। তারপর আপনার সামনে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট চলে আসবে।

তারপর অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন একটি অপশন খুজে বের করতে হবে। তারপর অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন অপশনে ক্লিক করে আপনারা খুব কম সময়ের মধ্যে নাম সংশোধন করতে পারবেন।

আপনারা যারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পড়াশোনা করে থাকেন। কোন কারণে আপনার সার্টিফিকেটে সকল ধরনের ত্রুটি দেখা দিলে। আপনারা চাইলে এটা সংশোধন করতে পারবেন।

আর্টিকেলটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। সংশোধন অনলাইন অফলাইন দুই ভাবে করা যায়। তবে দালাল বা কোন প্রকার থার্ড পার্টি ছাড়া ঝামেলামুক্ত কাজ করার জন্য অনলাইনে কাজ করার সবচাইতে জরুরী।

এক্ষেত্রে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে 300 টাকা লাগবে। নোটারি পাবলিক করতে 500 টাকা লাগতে পারে। আবেদন ফি ক্ষেত্রে 1120 টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে। এছাড়া ট্রান্সপোর্ট বাদে আরো বেশি খরচ হতে পারে।

এক্ষেত্রে আপনাদেরকে একটি সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য তিন হাজার টাকা থেকে 3500 টাকা খরচ হতে পারে। সার্টিফিকেটে কোন ধরনের নামের বানান ভুল থাকলে সেটা সংশোধন করা জরুরী।

কারণ একটি সার্টিফিকেট মানুষের জীবনে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। নাম বা জন্মতারিখের ভুল সংশোধনের জন্য প্রথমে আইনজীবীর মাধ্যমে নোটারি বা এফিডেভিট করাতে হবে। প্রার্থীর নিজের নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে তার বয়স যদি ১৮ বছরের বেশি হয়,

তাহলে তিনি নিজেই এফিডেভিট করতে পারবেন। প্রার্থীর বয়স যদি ১৮ বছর পূর্ণ না হয় বা প্রার্থী যদি তার মা-বাবার নাম সংশোধন করতে চান, তাহলে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে প্রার্থীর বাবা কর্তৃক প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা

নোটারি পাবলিকের কাছ থেকে এফিডেভিট করতে হবে। এভাবে আপনি সার্টিফিকেটের নামের বানান সংশোধন করতে পারবেন আশা করি বোঝাতে পেরেছি।

Bangla Master

Bangla Master ওয়েবসাইট এর পক্ষ থেকে আপনাদেরকে স্বাগতম। এই ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের সকল শিক্ষা বিষয়ক তথ্য আপনি জানতে পারবেন। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত সকল আপডেট তথ্য এই ওয়েবসাইটে নিয়মিত দেয়া হয়ে থাকে। আপনাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং চাকরি বিষয়ক তথ্যগুলো আমরা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করেছি।
Back to top button