ইসলামিক

ফেরাউন কত বছর বেঁচে ছিল (ক্লিক করে দেখুন)

আপনারা কি ফেরাউন সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? অথবা ফেরাউন কত বছর বেঁচে ছিল এ বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন? অথবা ফেরাউনের প্রথম ব্যবসা ও ফেরাউনের মৃত্যুর ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাচ্ছেন?

যদি আপনারা এই সকল বিষয়ে জানতে চান তাহলে আমাদের এই পোস্টটি আপনাদের জন্য। কারণ আমরা আজকে আমাদের এই পোস্টে আলোচনা করেছি ফেরাউন কত বছর বেঁচে ছিল এই বিষয়ে।

এছাড়াও আমরা এই পোস্টটিতে আলোচনা করেছি ফেরাউনের প্রথম ব্যবসা ও ফেরাউনের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে। তাই দেরি না করে এখনই আমাদের এই পোস্টটি পড়ুন। ফেরাউন কোন মানুষের নাম নয়। এটি একটি উপাধি।

তিনি ছিলেন অত্যন্ত নির্দয় এবং অসৎ একজন ব্যক্তি। হযরত মুসা (আঃ) এর জন্মের সময় যে ফেরাউন ছিল তিনি ছিলেন খুবই অসৎ একজন ব্যক্তি। তিনি গরিবদের উপর অনেক অত্যাচার করতেন।

তিনি নিজেকে খোদা দাবি করতেন। আল্লাহকে মানতেন না। আল্লাহর তাওহীদের বিশ্বাস করতেন না। তিনি সবসময়ই মিশরের প্রজাদের উপর অত্যাচার-নিপীড়ন করেন।

তার এই অত্যাচারের সীমালংঘন করার জন্য আল্লাহ তাআলা তাকে শাস্তি দেন। আল্লাহ তাআলা ফেরাউন এর সময়ে মুসা (আঃ) কে পৃথিবীতে প্রেরণ করেন এবং ফেরাউন যখন পাপ করতে করতে সীমালংঘন করেন তখন সে একটি স্বপ্ন দেখে।

স্বপ্নটি হচ্ছে, বনি ইসরাইলের একজন  পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ  করে তাকে বিতাড়িত করবেন এবং তার শাসন এর অবসান ঘটাবেন। যার কারণে তিনি বনি ইসরাইলের হাজার হাজার কিংবা লক্ষ লক্ষ সন্তানকে জন্মগ্রহণের

পরেই তার সৈন্যদের মাধ্যমেই হত্যা করেন। কিন্তু সে হযরত মুসা (আঃ) কে হত্যা করতে পারেননি। ফেরাউন প্রায় অনেক বছর মিশরে শাসন করেন এবং প্রায় কয়েকশো বছর জীবিত ছিলেন।

মুসা (আঃ) এর জন্মগ্রহণের সময় যে ফেরাউন ছিল তিনি প্রথমে ছিলেন খুবই গরীব একজন ব্যক্তি। ছোটবেলায় তার বাবা-মা মারা যান। তখন তার নাম ছিল কাবুস। তার বাবা-মা মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি মানুষের কাছ থেকে ধার দেনা করে জীবন চালাতেন।

সুদের উপর টাকা নিতেন। কিন্তু তাদের ধার পরিশোধ করতেন না। আর ধার পরিশোধ না করে একদিন তিনি তার গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান। তখন তার এক বন্ধুর সাথে দেখা হয়

এবং তারা দুই বন্ধু মিলে ব্যবসা করার পরিকল্পনা করে এবং একজন তরমুজ মালিকের কাছ থেকে তরমুজ কিনে বাজারে বিক্রি করেন এবং সেই টাকা ওই তরমুজের মালিক কে দেন। সেই মালিক সেই তরমুজের টাকার কিছু অংশ তাদেরকে দেয়।

এভাবেই তারা প্রথমে তরমুজের ব্যবসা করে থাকে। ফেরাউন ছিলেন খুবই অসৎ একজন ব্যক্তি। ফেরাউনকে ধ্বংস করার জন্য আল্লাহ তাআলা দুনিয়াতে হযরত মুসা (আঃ)  কে পাঠিয়েছেন।

মুসা (আঃ) পৃথিবীতে আসার পর মূসা (আঃ) যখন বড় হয় তখন ফেরাউনের সাথে মুসা (আঃ) এর যুদ্ধ হয়। তখন এই যুদ্ধে ফেরাউনের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য হযরত মুসা (আঃ) ও তার অনুসারীদের নিয়ে তিনি পালিয়ে যান

এবং তখন ফেরাউন মুসা (আঃ) এর পিছু নেয়। মুসা  (আঃ) পালিয়ে একটি সাগরের সামনে এসে দাঁড়ায়। সাগরটির নাম হচ্ছে লোহিত সাগর। তখন আল্লাহ তাআলা তাকে তার হাতে লাঠি দিয়ে সমুদ্রের পানিতে আগাত করতে বলেন।

তখন মুসা (আঃ) আল্লাহর নির্দেশে লাঠি পানিতে ফেলার সাথে সাথে সমুদ্রের পানি ভাগ হয়ে যায় এবং সুন্দর একটি রাস্তা তৈরি হয়। সেই রাস্তা দিয়ে মুসা (আঃ) এবং তার অনুসারীরা সমুদ্র পার হয়ে যায়।

তখন ফেরাউনও একই রাস্তা দিয়ে সমুদ্র পাড় হওয়ার সময় যখন তারা মাঝ পথে দাঁড়ান তখন আল্লাহ তাআলার নির্দেশে সমুদ্রের পানি আবার এক হয়ে যায় এবং রাস্তা অদৃশ্য হয়ে যায়।

Bangla Master

Bangla Master ওয়েবসাইট এর পক্ষ থেকে আপনাদেরকে স্বাগতম। এই ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের সকল শিক্ষা বিষয়ক তথ্য আপনি জানতে পারবেন। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত সকল আপডেট তথ্য এই ওয়েবসাইটে নিয়মিত দেয়া হয়ে থাকে। আপনাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং চাকরি বিষয়ক তথ্যগুলো আমরা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করেছি।
Back to top button