ইসলামিক

আকীকা দেয়া কি ফরজ এবং আকিকা না দিলে কি হয় (দেখুন)

অনেক মুসলিম ব্যক্তি আছেন যারা আকিকা সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের তথ্য জানতে আগ্রহী থাকেন। আর তাই আমরা আজকে আমাদের এই পোস্টে আকিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

আমরা এই পোস্টে আলোচনা করেছি আকিকা দেওয়া কি ফরজ নাকি সুন্নত এই বিষয়টি নিয়ে। এছাড়াও আমরা এই পোস্টে আলোচনা করেছি আকিকা করার নিয়ম ও আকিকার পশু নির্বাচন সম্পর্কে।

আপনারা যদি উক্ত সকল বিষয়ে জানতে আগ্রহী থাকেন তাহলে আমাদের এই পোস্টটি পড়ুন। আমাদের এই পোস্টটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়ার মাধ্যমে আপনারা আকিকা দেওয়ার নিয়ম, পশু নির্বাচন

এবং আকিকা দেওয়ার সুন্নত নাকি ফরজ এই সকল বিষয়ে  বিস্তারিত জানতে পারবেন। আকিকা হচ্ছে মুসলমানদের ইসলামী শরীয়তের একটি বিধান। এটিও আল্লাহ তায়ালার একটি ইবাদত।

আকিকা হচ্ছে সন্তান জন্মদানের পর আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং সন্তান এর নিরাপত্তার জন্য বা আনন্দের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আল্লাহর রাস্তায় পরশু কুরবানী করা। একজন সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার অনেক দায়িত্ব রয়েছে।

যা ফরজ, সুন্নত বা ওয়াজিব এবাদত হিসেবে পরিগণিত হয়। তেমনি সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার একটি দায়িত্ব হচ্ছে সন্তানের জন্য আকিকা দেওয়া। আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক পিতা-মাতাকে তার নবজাতক সন্তান

এর জন্য আকিকাদিতে নির্দেশ করেছেন আকিকা দেওয়া কি ফরজ নাকি সুন্নত নাকি ওয়াজিব এই বিষয়টি নিয়ে অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন থাকে। আর এই সকল প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার জন্য তারা অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে থাকে।

তাই আমরা আমাদের এই পোস্টে আকিকা দেওয়া ফরজ কিনা এই বিষয়ে আলোচনা করেছি। অনেকেই মনে করেন যে আকিকা দেওয়া আল্লাহর একটি ফরজ ইবাদত। এই বিষয়টি আসলেই ভুল।

কারণ আকিকা দেওয়া হচ্ছে আল্লাহর একটি সুন্নত ইবাদত। যা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। প্রত্যেক পিতা মাতাকেই তার নবজাতক সন্তানের নিরাপত্তার জন্য বা বিভিন্ন বালা মসিবত থেকে আল্লাহতায়ালা যেন সন্তানদেরকে হেফাজত করেন

এর জন্য আল্লাহ রাস্তায় পশু উৎসর্গ করতে হয়। আকিকা দেওয়ার কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। এই নিয়ম কানুন সম্পর্কে আমাদের নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুন্দরভাবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি বিভিন্ন বলেছেন যে, তোমরা তোমাদের নবজাতক সন্তানদের জন্য আকিকা করো। আল্লাহর রাস্তায় পশু উৎসর্গ করার মাধ্যমে আকিকা দেওয়া হয়ে থাকে। আকিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম রয়েছে।

যেমন, আকিকা দিতে হয় সন্তান জন্মদানের সপ্তম দিনে। কেউ যদি সপ্তম দিনে আকিকা দিতে না পারে তাহলে সে 14 তম দিনেও আকিকা দিতে পারবে। এরা সে 14 তম দিনে দিতে না পারলে 21 তম দিনেও তার সন্তানের আকিকা দিতে পারবে।

তবে সবচেয়ে উত্তম হচ্ছে সন্তান জন্মদানের সপ্তম দিনে আকিকা দেওয়া। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,  তোমরা তোমাদের ছেলে সন্তানের জন্য দুটি ছাগল কুরবানী করো এবং কন্যা সন্তানের জন্য একটি ছাগল কুরবানী করো।

আকিকার পশু নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেক সময় অনেকেই বিভিন্ন সমস্যায় পড়ে থাকেন। তারা বুঝতে পারেন না যে আকিকা দেওয়ার জন্য কোন কোন পশু নির্বাচন করা যেতে পারে বা কোন বয়স এর পশু নির্বাচন করা যেতে পারে।

নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা কোরবানির জন্য মুসিন্নাহ ব্যতীত পশু জবাই করো না। আর কুরবানীর জন্য যে জন্তু শুদ্ধ নয় আকিকার জন্যও সেই জন্তুটি শুদ্ধ নয়।

মুসিন্নাহ হচ্ছে পাঁচ বছর বয়সী উট, দুই বছর বয়সের গরু এবং এক বছর বয়সের ছাগল। তাই আকিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত সঠিক পশু নির্বাচন করে আকিকা দেওয়া। তা নাহলে আকিকা শুদ্ধ হবে না।

Bangla Master

Bangla Master ওয়েবসাইট এর পক্ষ থেকে আপনাদেরকে স্বাগতম। এই ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের সকল শিক্ষা বিষয়ক তথ্য আপনি জানতে পারবেন। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত সকল আপডেট তথ্য এই ওয়েবসাইটে নিয়মিত দেয়া হয়ে থাকে। আপনাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং চাকরি বিষয়ক তথ্যগুলো আমরা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করেছি।
Back to top button